মুহাম্মদ আলী (ইংরেজি: Muhammad Ali, /ɑːˈliː/;[৪] জন্ম নাম ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে জুনিয়র ইংরেজি: Cassius Marcellus Clay, Jr.; ১৭ জানুয়ারি ১৯৪২ –৩ জুন ২০১৬) একজন মার্কিন পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধা ছিলেন, সাধারণভাবে যাকে ক্রীড়ার ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হেভিওয়েট হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। ক্রীড়াজীবনের শুরুর দিকে আলী রিংয়ের ভেতরে ও বাইরে একজন অনুপ্রেরণাদায়ক ও বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।[৫][৬]স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড তাঁকে শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় ও বিবিসি তাঁকে শতাব্দীর সেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মানিত করেছে।[৭][৮]
Muhammad Ali
মুহাম্মদ আলী (ইংরেজি: Muhammad Ali, /ɑːˈliː/;[৪] জন্ম নাম ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে জুনিয়র ইংরেজি: Cassius Marcellus Clay, Jr.; ১৭ জানুয়ারি ১৯৪২ –৩ জুন ২০১৬) একজন মার্কিন পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধা ছিলেন, সাধারণভাবে যাকে ক্রীড়ার ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হেভিওয়েট হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। ক্রীড়াজীবনের শুরুর দিকে আলী রিংয়ের ভেতরে ও বাইরে একজন অনুপ্রেরণাদায়ক ও বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।[৫][৬]স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড তাঁকে শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় ও বিবিসি তাঁকে শতাব্দীর সেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মানিত করেছে।[৭][৮]
Badminton for winter-এই শীতে ব্যাডমিন্টন
ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য শীতের মৌসুমই সবচেয়ে ভালো। কুয়াশামাখা সন্ধ্যায় বা বিকেলে মাঠে এমনকি ছাদেও খেলা যায় এটা। তেমন পারদর্শিতারও প্রয়োজন নেই। একেবারে আনকোরা যে কেউ সহজেই শিখে নিয়ে খেলতে পারেন। সব বয়সের মানুষের জন্যই এ খেলাটা ভালো ব্যায়াম। দরকার কেবল একটা নেট, কয়েকটি কর্ক আর ব্যাট। এই খেলার সুবিধাগুলো হলো:
ভিভ রিচার্ডসের পাশে মুমিনুল
টানা ১১ টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ রান করে ভিভ রিচার্ডসের পাশে নাম লিখিয়েছেন টাইগার ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। এ রেকর্ডে আরো নাম লিখিয়েছেন ভারতের গৌতম গম্ভীর ও বীরেন্দ্র শেওয়াগ। এ কীর্তি গড়ার পথে মুমিনুল ২টি সেঞ্চুরি ও ৯টি হাফসেঞ্চুরি হাঁকান মুমিনুল। শনিবার তার অনবদ্য হাফসেঞ্চুরির কারণে তিনি শচীন টেন্ডুলকার ও ইংলিশ ক্রিকেটার জন এডরিচকেও ছাড়িয়ে গেছেন।
অবিশ্বাস্য সাঙ্গাকে ফেরানোর আকুতি
গলে পাকিস্তানের বিপক্ষে
ওয়ানডেতে অভিষেক ২০০০ সালে। একই বছর একই মাঠে টেস্ট অভিষেক দক্ষিণ আফ্রিকার
বিপক্ষে। সেই যে শুরু হয়েছে আর থামেনি। রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েও মেশিনের মতো রান
করে চলেছেন। আগুন নিভে যাওয়ার আগে যেমন দপ করে একবার জ্বলে ওঠে, ক্যারিয়ারের শেষ
ওয়ানডে টুর্নামেন্ট হিসেবে আগে ঘোষণা দিয়েছেন বলেই কিনা এবারের বিশ্বকাপে এভাবে
জ্বলে উঠলেন কুমার সাঙ্গাকারা। আসলে ৩৭ বছর বয়সী এই বাঁহাতির ব্যাটে কবে রান ছিল
না সেটা খুঁজতেই হিমশিম খাওয়ার মতো অবস্থা। ক্রিকেটের মনোযোগী ছাত্রদের তালিকা
করলে শুরুর দিকেই আসবে তাঁর নাম। আর ধারাবাহিকতা? সেখানেও সাঙ্গাকারা একটা
দৃষ্টান্ত। সেই ধারাবাহিকতারই চূড়ান্ত রূপটা কাল দেখালেন হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে।
ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপ তো বটেই, ওয়ানডেতেই টানা চার ম্যাচে
সেঞ্চুরি! অবিশ্বাস্য, অসাধারণ কিংবা অতিমানবীয়- কোনো বিশেষণই আজ যথেষ্ট নয়
সাঙ্গার জন্য।
ইতিহাস গড়ে শেষ আটে বাংলাদেশ
ইংল্যান্ডের উইকেট পতনের মিছিল দেখে মাইকেল ভন টুইট করেছেন, ‘বিশ্বাস করতে পারছি না, তারা এমন খেলছে। ওরা তো ভালো খেলোয়াড়। ’ কেবল ভনকে কেন, অ্যাডিলেডে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ১৫ রানে হারিয়ে ইংলিশদের ১১ হাজার ভোল্টের শক দিল মাশরাফির দল! টিভি ক্যামেরা বহুবার খুঁজে ফিরল ইংলিশ সাজঘর। ওটা তো তখন সাজঘর নয়; যেন ‘শবঘর’! আর গোটা বাংলাদেশ শিবিরের তখন ‘আবেগে কাঁপিছে আঁখি’!
গেইল–বিস্ফোরণ!
জীবন তাঁর কাছে উপভোগের আরেক নাম। ক্রিকেটও তা-ই। তবে দুঃস্বপ্নের মতোই মাঝে মাঝে হানা দেয় কঠিন বাস্তবতা। ক্রিকেট তখন অস্তিত্বের লড়াই! দুঃসময়ের থাবায় ক্রিস গেইলের মুখ থেকেও উবে গিয়েছিল হাসি। ডাবল সেঞ্চুরির উদ্যাপন তাই হলো না বাঁধনহারা। হাঁটু মুড়ে বসে ব্যাট-হেলমেট উঁচিয়ে ধরলেন বটে। কিন্তু এত বড় কীর্তির উচ্ছ্বাস তাতে ফুটে উঠল কোথায়!
অবিশ্বাস্য ডি ভিলিয়ার্স!
উইকেটে গিয়ে সঙ্গী
ব্যাটসম্যানকে বলেছিলেন,
‘২-১ ওভার দেখে তার পর চালিয়ে খেলব।’ এটাই
হওয়ার কথা, বাকি
তখন মাত্র ১১ ওভারের একটু বেশি। এই সময়ে একজনের পক্ষে কত রান করা সম্ভব? ৫০...৬০? ৭০-৮০ ভাবা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যায়।
তিনি যখন বললেন ‘চালিয়ে
খেলব’, নিজের
ভাবনার সীমানাটাও নিশ্চয়ই এত দূর ছিল না! ২-১ ওভার দেখার তর সয়নি, প্রথম বলেই বাউন্ডারি। পরের ঘণ্টা খানেক
জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে যা হলো, ঝড়-সাইক্লোন-টর্নেডো—কোনো
বিশেষণই উপযুক্ত নয় সেটিকে বোঝাতে। ব্যাটিং-তাণ্ডবে তছনছ রেকর্ড বই, লেখা হলো নতুন ইতিহাস। গত বছরের প্রথম দিনে
শহীদ আফ্রিদিকে পেছনে ফেলে দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছিলেন কোরি
অ্যান্ডারসন। আরেকটি জানুয়ারি না-ঘুরতেই সেই রেকর্ড অতীত। ৩৬ বলের সেই
সেঞ্চুরিকেও মনে হচ্ছে বড্ড ধীর,
ডি ভিলিয়ার্সের লাগল যে মাত্র ৩১ বল!
১ বলে ২৮৬ রান!
নিজেদের
ক্রিকেট দেখার অভিজ্ঞতা থেকে বলুন তো একটি নির্দিষ্ট বলে ব্যাটসম্যানদের সর্বোচ্চ
কত রান নিতে দেখেছেন? উত্তর
কোনোমতেই দুই অঙ্ক ছাড়াবে না বলে বিশ্বাস। কারণ
আধুনিক ক্রিকেটে একটি নির্দিষ্ট বলে সর্বোচ্চ তিন কি চার রানের বেশি নিতে কোনো
ব্যাটসম্যানকেই কেউ দেখেনি। ওভার
থ্রো বা অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে পাঁচ-ছয় রান অবশ্য হয়, কিন্তু এমন
ঘটনার সংখ্যা হাতে গুনেই বলে দেওয়া যাবে। কিন্তু
ক্রিকেটে যে এক বলে ২৮৬ রান নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে! কী, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার মতোই ঘটনা। অস্বাভাবিক ও অভাবনীয় এক ঘটনা। অবিশ্বাস করলে করতে পারেন, কিন্তু এ
ব্যাপারে সংবাদপত্রভিত্তিক প্রমাণ আছে ক্রিকেট
দুনিয়ার সামনে।
মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন হিউজ (ভিডিও সহ)
ক্রিকেট মাঠে ঘটল আরও একটি মৃত্যুর ঘটনা। ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত পাঁচ আউন্স ওজনের বলটি যে মাঝে-মধ্যে খেলোয়াড়দের জন্য কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, তারই আরেকটি নমুনা দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। বোলারের বাউন্সারের ছোবলে আহত হয়ে দুই দিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কাটিয়ে অবশেষে মৃত্যুর মুখোমুখি হলেন প্রতিশ্রুতিশীল অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ফিলিপ হিউজ। আজ বৃহস্পতিবার সিডনির একটি হাসপাতালে কোমায় অচেতন অবস্থাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।
Cricketer Mominul Haque -কক্সবাজার থেকে জাতীয় দলে
আমাকে
বলা হয়েছে খেলাধুলায় শুরু ও সাফল্যের গল্প লিখতে। সাফল্য? আমি মোটেও মনে করি না সাফল্য কিছু
পেয়েছি। অর্জনও
করতে পারিনি তেমন কিছু। ক্যারিয়ার তো সবে শুরু! তবে লোকের আগ্রহ যেমন আছে আমাকে নিয়ে, বড় কিছু প্রত্যাশা করে আমার কাছে, এসবে মনে হয় কিছু একটা হয়তো করেছি। যদিও আমি এটিকে ‘সাফল্য’ মনে করি না। আমি বলতে পারি আমার শুরু নিয়ে। পেছন
ফিরে
তাকালে একটা ছবি প্রায়ই চোখে ভাসে আমার। কক্সবাজার জেলা
স্টেডিয়ামের গ্যালারির রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছি
বন্ধু আরিফের সঙ্গে। ১৩ কি ১৪ হবে তখন আমার বয়স। বিকেএসপির ক্যাম্প চলছিল
মাঠে। সেদিকে
অপলক তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, ‘যদি আমিও থাকতে
পারতাম ক্যাম্পে!’
ইতিহাস গড়লেন আমাদের সাকিব -জিতালেন দেশকেও
গত ৭ জুলাই
দুপুরের কিছু টুকরো টুকরো ছবি। মিরপুর
স্টেডিয়ামের ড্রেসিং রুমের সামনে দাঁড়িয়ে সাকিব আল হাসান। দাঁত দিয়ে নখ খুঁটছেন, ইতিউতি তাকাচ্ছেন। একটু পরে গেলেন পাশের একাডেমি ভবনে। জিমে একটু রানিং করলেন, হালকা
স্ট্রেচিং। সতীর্থদের
সঙ্গে খানিকটা খুনসুটি। কিন্তু
সবকিছুই প্রাণহীন। সাকিব তো তখন
নিজের মাঝেই নেই! অপেক্ষা ‘রায়’ জানার। বিকেলের দিকে জানতে পারলেন সেটি, ‘বাজে আচরণের’ জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ছয় মাস! ঠিক চার মাস পর, তেমনই এক
পড়ন্ত দুপুর। মুশাঙ্গুয়ের
ব্যাট ছুঁয়ে বল মুশফিকের গ্লাভসে আশ্রয় নিতেই গ্যালারিতে গগনবিদারী চিৎকার, ‘সাকিব, সাকিব, সাকিব...।’ ওই আউটেই পূর্ণ হয়েছে ম্যাচে সাকিবের
১০ উইকেট। নাম উঠে গেছে
ইতিহাসেও।
দ্রাবিড়ের ‘মৃত্যুশোক’! - আইপিএল স্পট ফিক্সিং
শুধু
ভারতে না, পুরো ক্রিকেট বিশ্বেই রাহুল দ্রাবিড় পরিচিত একজন পরিচ্ছন্ন
ক্রিকেটার হিসেবে। দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কখনো বিতর্কে
জড়াতে দেখা যায়নি দ্রাবিড়কে। কিন্তু আইপিএলে তাঁর নেতৃত্বাধীন রাজস্থান
রয়্যালস জড়িয়েছে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে। শ্রীশান্তদের দুর্নীতির কারণে, নিজের
কোনো দোষ না থাকলেও নানা জায়গায় প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে দ্রাবিড়কে।
আইপিএলের ষষ্ঠ আসরে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারলেও তাঁর দল রাজস্থান রয়্যালসের
ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে চরমভাবে। পরিস্থিতিকে একধরনের মৃত্যুশোকের সঙ্গে তুলনা
করেছেন রাহুল দ্রাবিড়। জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতি সামাল
দেওয়ার ব্যাপারে তাঁর ব্যক্তিগত অনভিজ্ঞতার কথাও। এখন এই স্পট ফিক্সিং ডামাডোলের
মধ্যেও রাজস্থান রয়্যালস যদি শিরোপাটা জিততে পারে, তাহলে এটা একটা রূপকথার
মতো ব্যাপার হবে বলে মন্তব্য করেছেন দ্রাবিড়।
সাময়িক নিষিদ্ধ আশরাফুল
বিপিএলে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে মোহাম্মদ আশরাফুলকে
সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ মঙ্গলবার দুপুরে
মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কথা
জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। এর আগে বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন
বোর্ড সভাপতি। গত পরশু আরেক দফা তদন্ত শেষে ঢাকা ছাড়েন আইসিসি
দুর্নীতি দমন বিভাগের (আকসু) দুই কর্মকর্তা। যাওয়ার আগে তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা
সম্পর্কে বিসিবি সভাপতিকে অবহিত করেন তাঁরা। এ নিয়ে অবশ্য মুখ খুলছিলেন না
বিসিবির কেউই। নাজমুল হাসানও আকসুর তদন্ত
প্রতিবেদন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কিছু বলতে রাজি হননি। শুধু বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
স্বপ্নের পিছু ধাওয়া করো, তরুণদের টেন্ডুলকার
ছিলেন ভারতবর্ষের কোটি মানুষের স্বপ্ন সারথি। স্বপ্নকে কীভাবে
বাস্তবায়ন করতে
হয়, শচীন
টেন্ডুলকারের ভালো জানার কথা। তরুণদের সে কথাই জানাচ্ছেন শচীন! সম্প্রতি সাফল্যের
চূড়ায় উঠেছেন, এমন ২৫
ভারতীয় জীবন্ত কিংবদন্তিকে
পুরস্কৃত করেছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় একটি টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ। সবার হাতে পুরস্কার তুলে
দেন দেশটির রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। পুরস্কার গ্রহণের পর তরুণদের উদ্দেশে লিটল মাস্টার বলেন, ‘ভারতের তরুণদের স্বপ্ন দেখতে উত্সাহিত করব। কেননা
স্বপ্নের পেছনে লেগে থাকলে সেটি সত্য হবেই।’
রূপকথার নায়কের রূপকথার মতোই বিদায়
শচীন, শচীন’ চিৎকারটাকে তখন আর ‘আওয়াজ’ বলে বোঝানো যাচ্ছে না। দু-তিন কিলোমিটার দূরত্বের আরব সাগর
কি মাঝখানের সবকিছু ভাসিয়ে দিয়ে ওয়াংখেড়েতে এসে উপস্থিত! জলকল্লোলের মতো সেই গর্জন
ছাপিয়েও কী শোনা যাচ্ছে ওটা! শঙ্খের
আওয়াজ না! শঙ্খই! বুকে-পিঠে
তেরঙ্গায় ‘টেন্ডুলকার’ সেজে একটা মূর্তি
মিছিলটার সামনে পাগলের মতো ঘুরে ঘুরে এগোচ্ছে আর একটু পরপর ফুঁ দিচ্ছে শঙ্খে। দুপুরের খররোদে
চোখের সামনেই ঘটছে সব। তার পরও কেমন
যেন অবাস্তব মনে হচ্ছে। ওই গর্জনের সঙ্গে শঙ্খের ফুঁ মিলিয়ে পুরো ব্যাপারটায় কেমন যেন একটা
আধিদৈবিক ব্যাপার আছে!
Sarah Jane Taylor - মহিলা হয়েও পুরুষ দলে!!!
![]() |
| Sarah Jane Taylor |
মহিলা
ক্রিকেটে সবচেয়ে প্রতিভাধর ভাবা হয় ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান সারাহ টেইলরকে। ক্রিকেট পাগল এই জাতিকে মেয়েদের বিশ্বকাপে দুইবার বিশ্বজয়ের আনন্দে ভাসিয়েছেন তিনি। এবার আরেকটি যুগান্তকারী ঘটনা ঘটাতে যাচ্ছেন সারাহ। এই গ্রীষ্মেই কাউন্টিতে পুরুষের পাশাপাশি দেখা যেতে পারে তাকে। এজন্য সাসেক্সের সঙ্গে দেন-দরবার চলছে তারকা এই ক্রিকেটারের। কারণ স্বল্পমেয়াদে দলটির দ্বিতীয় বিভাগে একজন উইকেটরক্ষক দরকার।
চতুর্থবারের মতো ফিফা বর্ষসেরা লিওনেল মেসি‘-এটা অবিশ্বাস্য এক ব্যাপার’
| মেসি |
২০১২
সালের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কারটা যে লিওনেল মেসির হাতেই উঠবে,
এটা হয়তো আগেই অনুমান করেছিলেন অনেকে। কারণ, এ বছর নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
গেছেন আর্জেন্টিনার এই খুদে জাদুকর। এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ৯১টি গোল করে ছাড়িয়ে গেছেন জার্মান কিংবদন্তি জার্ড মুলারকে। অবশেষে গতকাল জুরিখে পাওয়া গেল সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। ফুটবল বিশ্বে নতুন এক রেকর্ড গড়ে টানা চতুর্থবারের মতো ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন লিওনেল মেসি।
‘সময় থমকে থাকে শচীনের সামনে’ -ওয়ানডেকে বিদায় বললেন শচীন
‘সময় যখন এই
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সামনে গিয়ে নিজের শুল্ক আদায় করবে, তখন মনে হয় সে শুধু একটা মানুষকেই ছাড় দেবে। সময় শচীনের সামনে থমকে যায়। আমরা অনেক চ্যাম্পিয়ন পেয়েছি, আমরা অনেক
কিংবদন্তি পেয়েছি। কিন্তু মনে হয় আরেকজন শচীন
টেন্ডুলকারকে আমরা কখনোই পাব না।’ সদ্যই একদিনের ক্রিকেটকে বিদায় জানানো ভারতের ব্যাটিং বিস্ময় শচীন টেন্ডুলকারকে এভাবেই
শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে ‘টাইম’
ম্যাগাজিন।


.jpg)













