সম্মানিত দর্শক আপনাকে স্বাগতম। আমাকে Facebook instagram Telegram এ পাবেন। কামরুলকক্স: ইসলামিক জ্ঞান

Qari obaidullah- বিটিভির বিখ্যাত সেই আযানের কন্ঠস্বর ওবায়দুল্লাহ (ক্বারী)



ক্বারী ওবায়দুল্লাহ বাংলাদেশি একজন উপস্থাপক, ক্বারী ও ইসলামি ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ১৯৭০-৮০ দশকে মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চারজন ক্বারীর মধ্যে অন্যতম ছিলেন।তিনি বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন নিয়মিত ক্বারী ছিলেন। তিনি ঐতিহাসিক চকবাজার শাহী জামে মসজিদে ১৯৬২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খতিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার রেকর্ড করা আজান প্রতিদিন বাংলাদেশের সরকারি প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত করে। এছাড়াও তিনি জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শিক্ষক ছিলেন। তাকে নিয়ে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে কুরআন ফাউন্ডেশন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Imam Abu Hanifa- আবু হানিফা এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত আবু হানিফা মসজিদ
ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত আবু হানিফা মসজিদ

নোমান ইবনে সাবিত ইবনে যুতা ইবনে মারযুবান (৬৯৯ — ৭৬৭ CE / ৮০ — ১৪৮ AH)[৫](আরবিنعمان بن ثابت بن زوطا بن مرزبان‎), উপনাম ইমাম আবু হানিফা নামেই অত্যাধিক পরিচিত, তিনি ফিকহশাস্ত্রের একজন প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ এবং হিজরী প্রথম শতাব্দীর একজন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী ব্যক্তিত্ব। ইসলামী ফিকহের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ও পরিচিত চারটি সুন্নি মাযহাবের একটি হানাফী মাযহাবের প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি।

Irena Handono-সুরা ইখলাস পড়ে মুসলিম হই



ইরিনা হানদোনো ইন্দোনেশিয়ার সুপরিচিত নওমুসলিম। ১৯৮৩ সালে ইসলাম গ্রহণ করেন। বর্তমানে একজন ইসলাম প্রচারক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। নওমুসলিমদের জন্য ইরিনা সেন্টার নামে একটি স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেছেন এই নারী। ইসলাম গ্রহণ বিষয়ে ইউটিউবে প্রচারিত তাঁর একটি আত্মকথার পরিশীলিত অংশ প্রকাশ করা হলো

Ttawbah-তওবার গুরুত্ব ও বিবরণ


উলামা সম্প্রদায়ের উক্তি এই যে, প্রত্যেক পাপ থেকে তওবা করা (চিরতরে প্রত্যাবর্তন করা) ওয়াজেব (অবশ্য-কর্তব্য)। যদি গোনাহর সম্পর্ক আল্লাহর (অবাধ্যতার) সঙ্গে থাকে এবং কোন মানুষের অধিকারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকে, তাহলে এ ধরনের তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে। ১। পাপ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে। ২। পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে। ৩। ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করতে হবে। সুতরাং যদি এর মধ্যে একটি শর্তও লুপ্ত হয়, তাহলে সেই তওবা বিশুদ্ধ হবে না।

Hisnul Muslim হিসনুল মুসলিম [মুসলিমের দুর্গ]


আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা পেতে, আমাদের চাহিদাগুলো সুনির্দিষ্ট উপায়ে চাইতে,অন্যের জন্য ভালো কামনা করতে, জীবনের প্রতি পরতে পরতে আল্লাহর সাহায্য পেতে দুআর বিকল্প নেই। আল্লাহর কাছে আমরা সবাই কম-বেশি দোআ করি। বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন দোআ কুরআন ও হাদীসে বিদ্যমান। এই দোআগুলো আমাদের নিকট গুপ্তভাণ্ডার বা ধনভাণ্ডারের ন্যায়। আল্লাহর কাছে চাওয়ার আবেদনপত্র স্বরূপ। এরুপ দোআর বইয়ের মধ্যে অন্যতম বই হলো হিসনুল মুসলিম। কুরআন-সুন্নাহ্‌র যিক্‌র ও দোআ সংবলিত হিসনুল মুসলিম রচনা করেছেন ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী। এটি অনুবাদ করেছেন আমাদের দেশের প্রখ্যাত আলেম-ই-দীন,ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

হাদীসে ক্বোরআন তেলাওয়াতের ফজীলত এবং গুরুত্ব



ইসলামের অন্যতম গ্রন্থ পবিত্র ক্বোরআনের তেলাওয়াত করা অন্যতম সওয়াবের কাজের একটি। ক্বোরআন তেলাওয়াত শয়তানের শরীরে কম্পনের সৃষ্টি করে। ফলে যেখানে ক্বোরআন তেলাওয়াত হয় সেখানে শয়তান থাকে না। পবিত্র এ কুরআন শরীফ এর রয়েছে মর্যাদা, মাহাত্ম ও ফযীলত পবিত্র ক্বোরআন তেলাওয়াতের ফজীলত এবং গুরুত্ব সম্পর্কে অনেক হাদীস রয়েছে। এরকম কিছু সহীহ হাদীস নিয়ে আজকের পোষ্টটি করছি।

ইসলামে দান সদকার গুরুত্ব





وَمِنْهُم مَّنْ عَاهَدَ اللَّهَ لَئِنْ آتَانَا مِن فَضْلِهِ لَنَصَّدَّقَنَّ وَلَنَكُونَنَّ مِنَ الصَّالِحِينَ [٩:٧٥]

তাদের মধ্যে কেউ কেউ রয়েছে যারা আল্লাহ তাআলার সাথে ওয়াদা করেছিল যে, তিনি যদি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ দান করেন, তবে অবশ্যই আমরা ব্যয় করব এবং সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকব। (সূরা আত-তাওবা - আয়াতঃ ৯ঃ৭৫)

فَلَمَّا آتَاهُم مِّن فَضْلِهِ بَخِلُوا بِهِ وَتَوَلَّوا وَّهُم مُّعْرِضُونَ [٩:٧٦]
অতঃপর যখন তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহের মাধ্যমে দান করা হয়, তখন তাতে কার্পণ্য করেছে এবং কৃত ওয়াদা থেকে ফিরে গেছে তা ভেঙ্গে দিয়ে। (সূরা আত-তাওবা - আয়াতঃ ৯ঃ৭৬)

সাদকা মানে দান করা। ইসলামে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং মর্যাদাময় ইবাদত। সম্পদশালীরা গরীব বা অসহায়দেরকে সাহায্য সহযোগীতার মাধ্যমে তাদের দুঃখ-কষ্ট কিছুটা হলেও দূর করার চেষ্টা করে এ ইবাদতে অংশগ্রহণ করতে পারে। নিসাবের মালিক (শরিয়ত নির্ধারিত নির্দিষ্ট পরিমাণ মালের মালিক) হলে প্রতি বছর নির্দিষ্ট অর্থের যাকাত ও শস্যাদির ওশর প্রদান করা, সামর্থ্য থাকলে প্রতি বছর কোরবানী করা বাধ্যতামূলক। আর যাদের সম্পদ কম তাদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তবে তারা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে সৎপথে ব্যয় করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। 

চোগলখোরি আল্লাহর অপছন্দ




আমাদের সমাজে যত ধরনের পাপ রয়েছে, তার মধ্যে চোগলখুরি অন্যতম। অন্যান্য গুনাহ থেকে মানুষ বিবেকের তাড়নায় অনেক সময় বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, কিন্তু চোগলখুরি থেকে মানুষ মোটেও সতর্কতা অবলম্বন করে না। অথচ চোগলখুরি মানুষের ঘৃণিত স্বভাব জঘন্য পাপ। দ্বিমুখী কথাবার্তাকে চোগলখুরি বলে। যারা এজাতীয় কথা বলে বেড়ায়, তাদের চোগলখোর বলে। অর্থাৎ দ্বিমুখী স্বভাব

ভুমিকম্প কেন হয়? এর বৈজ্ঞানিক বা ধর্মীয় ব্যাখ্যা আছে কি?



সাম্প্রতিক সময়টা ভূমিকম্প দিয়েই যাচ্ছে। একটার পর একটা ভূমিকম্প জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ভূমিকম্প নিয়ে অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে। ভূমিকম্প কেন হয় তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এর ক্ষয়-ক্ষতি বা ধ্বংশলীলা সম্পর্কে কারো প্রশ্ন থাকার কথা নয় কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া নেপালের দিকে তাকালেই তা সহজে বুঝা যায় সরকারী হিসাবে কয়েক হাজার মৃতের কথা বলা হলেও প্রকৃত সংখ্যাটা লাখের উপরে এখানে মৃতের সংখ্যা হিসেব করা হয়েছে শুধুমাত্র মৃত উদ্ধারের উপর ভিত্তি করে কিন্তু ধুলায় মিশে যাওয়া হাজার হাজার বাড়ি-ঘরের মানুষগুলো কোথায় তার হিসেব কারো কাছে নেই এছাড়া আমরা ২০১০ সালের হাইতিতে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের কথাও স্মরণ করতে পারি যেখানে পোর্ট অ প্রিন্স শহরটি মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল বলা হয়ে থাকে তিন লক্ষ মানুষ জীবন হারিয়েছিল এ ভুমিকম্পে, ঘর ছাড়া হয়েছিল ১০ লক্ষ মানুষ, আর যারা বেঁচে ছিল তাদের অধিকাংশই বরণ করেছিল আজীবনের পঙ্গুত্ব শুধু নেপাল বা হাইতি নয় পেছনে ফিরে তাকালে এরকম অসংখ্য ঘটনা আমাদের সামনে পড়ে একটি প্রতিবেদনে পড়লাম সম্প্রতি ভূমিকম্পের মাত্রা বেড়ে গেছে কিন্তু এ ভুমিকম্পের কারন কি? কেনই বা ঘটে? তার জন্য বিজ্ঞান বা ধর্মীয় কোন যুক্তি আছে কি না তা দেখার জন্যই আজকের এই পোস্টটি

ইয়োভনি রিডলির ইসলাম গ্রহন


পশ্চিমা বিশ্বে ইসলাম সর্ম্পকে নানা ধরনের আতঙ্ক ছড়ানোর পরও ইসলামের আবেদন দিন দিন বাড়ছে । অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে পশ্চিমা নাগরিকদের ইসলাম গ্রহনের হার বেড়েছে। নাইন ইলেভেনের পর ইসলাম সর্ম্পকে জানার আগ্রহ থেকেও অনেকে ইসলাম গ্রহন করেছেন। এরমধ্যে অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের ইসলাম গ্রহন ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে।

পৃথিবীতে কেউ গায়েব জানে কি না?




আমাদের প্রিয় রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন এ নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে দুটি দল রয়েছে যারা এ বিষয়টিকে একটি বিতর্কিত পর্যায়ে নিয়ে গেছেন একটি দলের দাবী রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন এবং অন্য দলের দাবী রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন না প্রথম বিষয় হলো রাসূল (সাঃ) গায়েব জানুক আর নাই জানুক তাঁর প্রতি আমাদের সম্মান, ভালবাসা আর শ্রদ্ধা সামান্যটুকুও কমবে না দ্বিতীয় বিষয় হলো রাসূল (সাঃ) গায়েব জানেন কি না সেটি জানা কোন মুসলমানের জন্য ফরয, ওয়াজিব বা সুন্নাত নয় কেয়ামতের দিন কোন মুসলিমকে এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে না আর গুরুত্বহীন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা বা বাড়াবাড়ি করা ইসলামে বৈধও নয় যখন কোন বিষয়ে বিতর্ক হবে তখন কোরআন ও সুন্নার দিকে ফিরে যাওয়াটা ঈমানদার ব্যক্তিদের কাজ আল্লাহ বলেন- إِنَّهُ لَقَوْلٌ فَصْلٌ ﴿٨٦: ١٣﴾নিশ্চয় কোরআন সত্য-মিথ্যার ফয়সালা(At-Taariq: 13) তাই বিষয়টি নিয়ে কোরআনে কী নির্দেশনা রয়েছে তা আমরা একটু দেখার চেষ্টা করি

বিজ্ঞানের আলোকে সালাত




দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বা নামাজ কায়েম করা সারা মুসলিম উম্মাহর ওপর ফরজ করেছেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ঈমানের পরেই সালাতের স্থান, যা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপরই ফরজ বলা হয়েছে আস্সালাতু ইমাদ উদ্-দ্বীন সালাত হচ্ছে দ্বীনের বা ধর্মের খুঁটি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সালাতের ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে, নামাজের আগে কেন অজু করার বিধান দেয়া হলো সে ব্যাপারে আলোচনা করা প্রয়োজন বহু মাওলানাকে আমি প্রশ্ন করেছি, নামাজ আদায়ের আগে অজু কেন করতে হবে? এক বাক্যে সবাই বলেছেন, দেহ ও মনের পবিত্রতা অর্জনের জন্য কিন্তু ব্যাপারটার সাথে আমি কোনো অবস্থাতেই একমত হতে পারিনি কারণ, এখানে প্রশ্ন, নামাজ পড়েন কারা? উত্তর মুসলমানেরা কিন্তু যারা মুসলমান তারা কি অপবিত্র থাকেন? আমি বাহ্যিক পবিত্রতার কথা বলছি যদি অপবিত্র না থাকেন তবে পবিত্রতার প্রশ্ন আসে কেন? ব্যাপারটা কি শুধুই পবিত্রতা অর্জনের জন্য অজু করা, নাকি অন্য কিছু!! ইসলাম তথা ইসলামের আরকান ও আহকামের ব্যাপারে আমরা গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন করে চলেছি; কিন্তু ব্যাপারটা আদৌ ঠিক হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখার প্রয়োজন বোধ করি না 

আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন


ইসলাম মানবতার ধর্মমানবজীবনের রাকবচইসলাম মানবজাতিকে উন্নত জীবন গড়ার লক্ষ্যে যেমনিভাবে ইসলামী শিক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে, তেমনিভাবে সর্বস্তরে ইসলামী বিধান মেনে চলার নির্দেশও দিয়েছেসুখী, সমৃদ্ধ সমাজ ও উন্নত দেশ গড়ার কার্যকরী পন্থা বাতলে দিয়েছেসামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বপ্রকার শোষণপ্রক্রিয়া ইসলামে হারাম করেছেইসলামী অর্থনীতি ও ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সুদি প্রক্রিয়ায় লেনদেন পন্থাকে অবৈধ বলে আখ্যা দিয়েছেসুদের আরবি হচ্ছে রিবারিবা শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে অতিরিক্ত, বর্ধিত ইত্যাদিমূলধনের অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করাকে সুদ বলেইসলামী অর্থব্যবস্থায় সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সুদ একটি মারাত্মক অভিশাপএতে মানবতা ধ্বংস হয়বিদায় নেয় মুমিনের পারস্পরিক সহানুভূতি, জন্ম নেয় সীমাহীন অর্থলিপ্সা ও স্বার্থপরতাঅতিরিক্ত লোভ-লালসার কারণে সুদি কারবারিরা তখন মানুষের জানমাল ও ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে থাকেসুদি কারবারে সবচেয়ে বেশি তিগ্রস্ত হয় সাধারণ জনগণ

সূর্য না ডোবার দেশে রোজা রাখা


সুইডেনের সবচেয়ে উত্তরের শহর কিরুনায় গ্রীষ্মকালে প্রায় দেড় মাস সূর্যাস্তই হয় নাএবারের রমজানের প্রায় অর্ধেকটাই পড়েছে এই সময়েআর আর্কটিক সার্কেল বা উত্তর মেরু বলয়ের ভেতরে অবস্থিত এই শহরে এখন প্রায় ৭০০ মুসলিম বসবাস করছেনতাঁদের অনেকেই রোজা রাখেনকিন্তু যেখানে সূর্য ডোবে না, সেখানে কখন সেহরি খাবেন আর কখনই বা ইফতার করবেন তাঁরা? আল জাজিরা ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সূর্য না ডোবার দেশে রোজা রাখার অভিজ্ঞতার কথা

রমজানে কুরআন তিলাওয়াতের বরকত ও ফজীলত


মাহে রমজানের আজ ৬ষ্ঠ দিবস। ঘরে ঘরে মসজিদে মক্তবে মুমিন মুসলমানরা কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফ তিলাওয়াতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। গতকাল মানব কল্যাণে কুরআন তিলাওয়াত ও অধ্যয়নের উপকারিতা বর্ণনার সূত্রপাত করেছিলাম। আজ মানব জীবনের আধুনিকায়নে জ্ঞানবিজ্ঞানের তৃষ্ণা মিটানোর ক্ষেত্রে এমনকি বিশ্বাসী মানুষের অভাব মোচনের ক্ষেত্রে এ কুরআন শরীফের তিলাওয়াত অনুধাবন কত কার্যকর সে সম্পর্কে দু’চার কথা। পবিত্র কোরআন সমস্ত জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার প্রাচীনতম উৎস-সূত্র। এখানে শুধু নামায কালামের কথা বলা হয়নি, সৃষ্টি রহস্য ও বিশ্ব ইতিহাসের বহু তত্ত্ব ও তথ্যে সমৃদ্ধ এ মহাগ্রন্থ। এইতো মাত্র চার দশকেরও কিছু আগে (১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুলাই) মানুষ প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে। এ ঐতিহাসিক দিনে নেইল আমস্ট্রং, মাইকেল কলিন্স, অলড্রিন প্রমুখ সৌভাগ্যবান মানব সন্তান চাঁদের দেশে মানব জাতির পদচিহ্ন আঁকেন। যে সময়, যে যুগে তারা এ মহা বিজয়ের সুসংবাদ বয়ে এনেছেন তখনও মানুষের এক বিরাট অংশ তা সহজে মেনে নিতে পারেনি। বিশ্বাস স্থাপন করতে পারেনি। তাদের বিশ্বাস হলো, মানুষের পক্ষে আকাশ জয় করা সম্ভব নয়। কিন্তু আজ ধীরে ধীরে তাদের সে বিশ্বাস ভাঙছে, তারা বিজ্ঞানের বিস্ময়কর কারিশমা বলে ক্রমেই অনুধাবন করতে ও প্রত্যক্ষ করতে সক্ষম হচ্ছে।

সৎ ব্যবসায়ী হাশরের দিন নবী সিদ্দিক ও শহীদদের দলে থাকবেন




আল্লাহপাক ইরশাদ করেন, হে মুমিনরা! আমি তোমাদের যা কিছু দান করেছি তা থেকে হালাল বস্তুগুলো ভক্ষণ কর এবং আল্লাহপাকের শোকর আদায় কর যদি তোমরা তারই ইবাদত করে থাক। হজরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন  হালাল সম্পদ কামাই করা ফরজের পর ফরজ। অত্র হাদিস আল্লামা বায়হাকী হজরত আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। হজরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সত্যবাদী, আমানতদার ও বিশ্বাসী ব্যবসায়ী ব্যক্তি হাশরের দিন নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের দলে থাকবেন। (তিরমিজি শরিফ) হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। 

অপচয় ও অপব্যয় শয়তানের কাজ




মানুষের দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে আয়-ব্যয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যেমন বলা হয় আয় বুঝে ব্যয় কর। আয়ের ক্ষেত্রে বৈধভাবে আয়ের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। কিন্তু ব্যয়ের ব্যাপারে একটা সীমারেখা রয়েছে। ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃপণতা যেমন দূষণীয় তেমনি অপব্যয় এবং অপচয় দূষণীয়। আরবিতে অপচয়কে বলা হয় ইসরাফ আর অপব্যয়কে বলা হয় তাবজির। শরিয়তের পরিভাষায় বৈধ কাজে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করাকে ইসরাফ বা অপচয় বলে। আর অবৈধ কাজে ব্যয় করাকে তাবজির বা অপব্যয় বলে। ইসলামিক শরিয়তে এ দুটি বিষয়কে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

হালাল সম্পদ কামাই ফরজের পর ফরজ




আল্লাহপাক ইরশাদ করেন- হে মুমিনগণ আমি তোমাদের যা কিছু দান করেছি তা থেকে হালাল বস্তুগুলো ভক্ষণ কর এবং আল্লাহপাকের শোকর আদায় কর যদি তোমরা তাঁরই ইবাদত করে থাক। হজরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- হালাল সম্পদ কামাই করা ফরজের পর ফরজ। অত্র হাদিস আল্লামা বায়হাকি হজরত আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। হজরত রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সত্যবাদী, আমানতদার ও বিশ্বাসী ব্যবসায়ী ব্যক্তি হাসরের দিন নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের দলে থাকবেন। (তিরমিজি শরিফ)

কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত


ইসলাম ধর্মের মূল গাইড লাইন হলো পবিত্র কোরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত গ্রন্থ সমগ্র মানবজাতির জন্য নাজিল হয়েছে বিশ্বে অসংখ্য ধর্মগ্রন্থ থাকলেও কোরআন সত্যিকার অর্থেই তুলনাহীন ১৪০০ বছর আগে নাজিল হওয়া এই পবিত্র গ্রন্থের একটি অক্ষরও আজ পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়নি কৃতিত্ব অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থের নেই কেয়ামত পর্যন্ত বিধান বহাল থাকবে