সম্মানিত দর্শক আপনাকে স্বাগতম। আমাকে Facebook instagram Telegram এ পাবেন। কামরুলকক্স: স্বাস্থ্য

অ্যাজমা বা হাঁপানি (কোল্ড এলার্জি)



দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণকে বলে জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শাহরিয়ার জামান দীপ।

Waist Pain-কোমরব্যথা হলে


পিএলআইডি—এটি সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ বছরের মানুষের ক্ষেত্রে বেশি হয়। কোমরের প্রতিটি হাড়ের মধ্যে ডিস্ক থাকে। এই ডিস্ক যদি বের হয়ে গিয়ে স্নায়ুমূলের ওপর চাপ ফেলে, তাহলে কোমরে ব্যথা হতে পারে

কোমর ও ঘাড়ব্যথার রোগীর সংখ্যা আমাদের দেশে দিন দিন বেড়েই চলছে। ঘাড় ও কোমরব্যথার অন্যতম কারণ হলো অসচেতনতা। একটু সচেতন হলে এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। ঘাড় ও কোমরব্যথা বেশি হয় তাঁদের, যাঁরা বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ফলে সাধারণত শরীরের অঙ্গস্থিতি (পশ্চার) সঠিকভাবে ধরে রাখা সম্ভব হয় না। ফলে ঘাড় ও কোমরের মাংসপেশিতে স্ট্রেস থাকে দীর্ঘক্ষণ। এই স্ট্রেস থাকার কারণে মাংসপেশিগুলো দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ কাঠামোতে সমস্যা দেখা দেয়।

রান্নাঘরেই ব্যথার ওষুধ!


একটু ব্যথা হলে অনেকেই পেইন কিলার বা ব্যথানাশক বড়ি খেয়ে বসেন। কিন্তু ব্যথা নিরাময়ে বেশ কিছু প্রাকৃতিক ওষুধ আছে, যা আপনার রান্নাঘরেই পেয়ে যাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রাকৃতিক ব্যথানাশক ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এতে একদিকে যেমন ব্যথা সেরে যায়, তেমনি স্বাস্থ্য থাকে ভালো। জেনে নিন হাতের নাগালে থাকা এসব ব্যথানাশক সম্পর্কে:

করোনার প্রতিকার


করোনাভাইরাস  কি ?

করোনাভাইরাস বলতে ভাইরাসের একটি শ্রেণিকে বোঝায় যেগুলি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিদেরকে আক্রান্ত করে। মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শ্বাসনালীর সংক্রমণ ঘটায়। এই সংক্রমণের লক্ষণ মৃদু হতে পারে, অনেকসময় যা সাধারণ সর্দিকাশির ন্যায় মনে হয় (এছাড়া অন্য কিছুও হতে পারে, যেমন রাইনোভাইরাস), কিছু ক্ষেত্রে তা অন্যান্য মারাত্মক ভাইরাসের জন্য হয়ে থাকে, যেমন সার্স, মার্স এবং কোভিড-১৯। অন্যান্য প্রজাতিতে এই লক্ষণের তারতম্য দেখা যায়। যেমন মুরগির মধ্যে এটা উর্ধ্ব শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়, আবার গরু ও শূকরে এটি ডায়রিয়া সৃষ্টি

Guava- পেয়ারা খেলে যে লাভ


স্বাদ, পুষ্টিগুণ আর স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রাখলে পেয়ারা খেলে প্রচুর লাভ। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেয়ারা রাখা যেতে পারে। এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও লাইকোপেনযা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকারি। পেয়ারার বিশেষ পাঁচটি গুণের মধ্যে রয়েছে, এটি ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, চোখের জন্য ভালো, পেটের জন্য উপকারী আর ক্যানসার প্রতিরোধী।

বুক জ্বালা–পোড়া?

ভারী খাবার খেয়ে রসনা তৃপ্ত হলেও পরে সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেরই বুক জ্বালা করে। আবার অসময়ে খেলেও বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে। এ সমস্যার মূল কারণ সাধারণত অ্যাসিডিটি বা অম্লতা। খাদ্যনালির নিচের দিকের স্ফিংটার বা দরজা ঢিলে হয়ে পড়লে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপর দিকে ঠেলে ওঠে। আর সে কারণেই বুক জ্বালাপোড়া করে। কিছু কিছু খাবার এ সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে, যেমন গোলমরিচ, রসুন, কাঁচা পেঁয়াজ ও অধিক মসলাযুক্ত খাবার, বেশি তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কমলা, আনারস, টমেটো ইত্যাদি টক ফল বা ফলের রস ও সবজি; চকলেট, ক্যাফেইন বা কফি; পিপারমিন্ট; অ্যালকোহল প্রভৃতি। তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

কম খরচে মেদ কমানোর ৫ খাবার


শরীরের মেদ ঝরাতে চান? হাতের নাগালেই এমন কয়েকটি খাবার আছে, যা আপনার মেদ ঝরিয়ে ঝরঝরে হতে সাহায্য করতে পারে। জেনে নিন মেদ কমাতে কয়েকটি খাবারের নাম কী:

Milk-দুধ খেলে পেটে সমস্যা!

দুধ কেবল একটি পানীয় নয়, এটি সুষম খাদ্য। কেননা এতে আমিষ, চর্বি, শর্করা ও নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ পর্যাপ্ত পরিমাণে মেলে। একটিমাত্র পানীয়ে এত ধরনের পুষ্টি উপাদান বোধ হয় আর পাওয়া যাবে না।

মুখে যেন গন্ধ না হয়


ঝকঝকে সাদা দাঁত সঙ্গে ভারী সুন্দর হাসি, হাল ফ্যাশনের পোশাক, বাচনভঙ্গিতে আভিজাত্যসবকিছুই ভেস্তে যায় যখন কথা বলার সময় মুখ থেকে গন্ধ বের হয়। এই মুখে গন্ধ কখনো রোগের কারণে হয়, আবার কখনো মুখ কিংবা দাঁত অপরিষ্কার থাকলে হয়। কারণ জানা থাকলে প্রতিকারটা সহজ হয়ে যায়। জেনে নেওয়া যাক, কেন এই বিব্রতকর পরিস্থিতি হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য কেন?


কোষ্ঠকাঠিন্য একটা যন্ত্রণাদায়ক ও বিরক্তিকর সমস্যা, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য। কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মলত্যাগের সময় রক্তপাত এবং পাইলস ও এনাল ফিশারের মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসুন জেনে নিই কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়, আর এ থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায়।

Bell's Palsy- হঠাৎ মুখ বেঁকে বিপত্তি?


একদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে হঠাৎ কেউ লক্ষ করেন তাঁর মুখ যেন একদিকে একটু বেঁকে গেছে। মনে হয় যেন পানি বা খাবার গিলতে গিয়ে মুখের একদিকে আটকে আছে বা চিবোতে কষ্ট হচ্ছে। এমনও হতে পারে যে এক চোখের পাতা বন্ধ হচ্ছে না সহজে। ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই, এটি একটি স্নায়ুগত সমস্যা। এর নাম বেলস পালসি। আমাদের সপ্তম ক্রেনিয়াল নার্ভ বা ফেসিয়াল নার্ভে সমস্যার কারণে এটা হতে পারে। কোনো কারণে প্রদাহ হলে স্নায়ুটি ফুলে যায় ও চাপ লেগে মুখমণ্ডলের পেশি, জিবের স্বাদ বা চোখের পাতা নড়াচড়ায় সমস্যা দেখা দেয়।

ডায়াবেটিসে চোখের সমস্যা ও করণীয়


ডায়াবেটিস শরীরের যেসব অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তার মধ্যে অন্যতম হল চোখ। ডায়াবেটিসে চোখের সর্বস্তরের কাঠামোই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে রেটিনার ক্ষতিই সবচেয়ে মারাত্মক কেননা তাতে ডায়াবেটিক রোগীর দৃষ্টিশক্তি হারানোর সমূহ আশংকা থেকে যায়। চক্ষু পার্শ্বস্থিত অন্যান্য উপাদান জড়িত হলে দৃষ্টি অস্বচ্ছ হতে পারে। কিছু কিছু সমস্যার কারণে রোগীর মৃত্যুর আশংকাও দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিক রোগীর চোখের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তনালির সমস্যাটিই মূলত এজন্য দায়ী।

ঘাড় ব্যথায় কী করবেন


বেশিরভাগ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় ঘাড়ে ব্যথায় ভোগেন। মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশকে মেডিকেল ভাষায় সারভাইক্যাল স্পাইন বলে। মেরুদণ্ডের উপরের সাতটি কশেরুকা ও দুই কশেরুকার মাঝখানের ডিস্ক, পেশি ও লিগামেন্ট নিয়ে সারভাইক্যাল স্পাইন বা ঘাড় গঠিত। মাথার হাড় (স্কাল) থেকে মেরুদণ্ডের সপ্তম কশেরুকা পর্যন্ত ঘাড় বিস্তৃত। আট জোড়া সারভাইক্যাল স্পাইন নার্ভ (স্নায়ু) ঘাড়, কাঁধ, বাহু এবং হাত ও আঙুলের চামড়ার অনুভূতি ও পেশির মুভমেন্ট প্রদান করে। এজন্য ঘাড়ের সমস্যায় রোগী ঘাড়, কাঁধ, বাহু ও হাত বা শুধু হাতের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। ঘাড়ের সমস্যা পুরুষের তুলনায় মহিলাদের বেশি হয়।

Physiotherapy : বিনা ওষুধে বাত, জয়েন্ট পেইন ও প্যারালাইসিস রোগীর চিকিৎসা


ফিজিওথেরাপী হচ্ছে মানবদেহ গঠন ভিত্তি করে বিজ্ঞান সম্মত এক ধরনের চিকিৎসা সেবা পদ্ধতি যা মানুষকে সচল, সক্ষম থাকতে সহায়তা দেয়। বাত-ব্যথা, প্যারালাইসিস ও যে কোনও ধরনের ইনজুরিতে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে ফিজিওথেরাপি। উন্নত বিশ্বের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ফিজিওথেরাপি। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় ব্যবহূত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির। এসব প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে- শর্ট ওয়েভ ডায়াথার্মি, আলট্রাসাউন্ড, ইনফ্রারেড রেডিয়েশন, ইলেকট্রিক্যাল মাসেল স্টিমুলেটর, ট্রান্সকিউটেনিয়াস নার্ভ স্টিমুলেটর, আলট্রাভায়োলেট রেডিয়েশন, ইন্টার ফেরানশিয়াল কারেন্ট, কম্পিউটারাইজড অটো ট্রাকশন মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ডায়াথার্মি, ওয়াক্স বাথ, ভাইব্রেটর ইত্যাদি। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় প্রযুক্তি ব্যবহারের এ অংশটিকে বলা হয় ইলেক্ট্রো থেরাপি।

মুখ হঠাৎ বেঁকে গেলে


তুলি আগামীবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করতে গিয়ে হঠাৎ লক্ষ্য করল তার মুখ একদিকে বাঁকা হয়ে গেছে, ডান চোখ বন্ধ হচ্ছে না, কুলি করতে গেলে অন্য পাশে চলে যায়। তুলি ভয়ে চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করল। চিৎকার শুনে তুলির মা দৌড়ে এলেন। মেয়েকে দেখে মা চিন্তায় পড়ে গেলেন। তুলির বাবা অফিসে চলে গিয়েছিলেন। মেয়ের অসুস্থতার কথা শুনে অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরলেন।

বেদানা নাকি আতা


আতা গাছে তোতা পাখি’—এই ছড়ার মাধ্যমেই তো আতার সঙ্গে ছোটবেলায় পরিচয় ঘটে সবার। অন্যদিকে অনেক দানার ফল বেদানা। খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বেশির ভাগেরই পছন্দ এই ফল। কিন্তু জানা আছে কি, কতটা গুণ আছে যা খাচ্ছেন তাতে? কিংবা ক্ষতিকারক কোনো দিক আছে কি না? আতা ও বেদানাএ দুই ফলের গুণাগুণ ও নেতিবাচক দিক সম্পর্কে জানিয়েছেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পথ্য ও পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ।

শিশুর জ্বর: সিরাপ না সাপোজিটরি না স্পঞ্জ?

জ্বর ক্ষতিকর জীবাণুর মোকাবিলায় দেহের গড়ে তোলা স্বাভাবিক প্রতিরোধ। শিশুর শরীরে ঢুকে পড়া জীবাণুর বংশ বৃদ্ধিতে বাধা দিয়ে উপকারই করে থাকে জ্বর। তাই শিশুর জ্বর যদি ১০২ দশমিক ২০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে থাকে এবং সে বেশি অসুস্থ না থাকে (যেমন আগে থেকে অন্য কোনো রোগ, জ্বর ও খিঁচুনি, হার্টের অসুস্থতা) তাহলে রুটিনমাফিক প্যারাসিটামল সেবনের কথা এখন আর বলা হয় না। তবে জ্বর বাড়াবাড়ি হলে তো প্যারাসিটামল দিতেই হয়।

কিডনি কেন নষ্ট হয়, ভালো থাকবে কীভাবে


আমাদের দেহের বিপাকক্রিয়ায় তৈরি সব বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে কিডনির মাধ্যমেই বের হয়ে যায়। কিডনি অকার্যকর হয়ে গেলে শরীরের ক্ষতিকর বর্জ্য রক্তে জমা হয়। তখন বেঁচে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে কিডনি অকার্যকারিতার হার ক্রমাগত বাড়ছে। আর কিডনি রোগ চিকিৎসার জনবল ও অবকাঠামো প্রয়োজনের তুলনায় খুবই দুর্বল। তাই কিডনি সুস্থ রাখার দিকে নজর দিতে হবে এখনই।

ভাজা–পোড়া থেকে যন্ত্রণা!

সারা দিন রোজা রাখার পর পাকস্থলী খুব ক্ষুধার্ত ও দুর্বল থাকে। তারপর যদি এত রকম গুরুপাক খাবার একসঙ্গে খাওয়া হয়,তাহলে কী অবস্থা হবে? পেটের সমস্যা,মাথাব্যথা,দুর্বলতা,অবসাদ,আলসার, অ্যাসিডিটি, হজমের সমস্যা ইত্যাদি হবে রোজার নিত্যসঙ্গী। অনেকের ওজনও বেড়ে যায়। এ বিষয়ে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার বলেন,রোজায় দামি খাবার খেতে হবে এমন নয় বরং সুষম, সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। গুরুপাক খাবার,পোড়া তেল,বাইরে ভাজা চপ,পেঁয়াজু,বেগুনি, কাবাব,হালিম,মাংস-জাতীয় খাবার না খাওয়া ভালো। এতে হজমে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ডায়াবেটিসের রোগীরা কোন ফল খাবেন?


এখন রসাল ফলের মৌসুম। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তরমু, আনারস ইত্যাদি ফলের সমারোহ বাজারে। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীরা এসব প্রাণভরে খেতে পারেন না, রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে। আসলেই কি তাঁদের জন্য সব ধরনের ফল নিষিদ্ধ?