সম্মানিত দর্শক আপনাকে স্বাগতম। আমাকে Facebook Google+ এ পাবেন। কামরুলকক্স

প্রতিদিনের প্রাতরাশে মধু


‘আমড়া গাছের ঝোপের ভেতর মৌমাছিদের বাসা/মাঝখানে তার প্রকাণ্ড এক চাক রয়েছে খাসা’—শিয়াল পণ্ডিতের চোখে পড়ল সেই মৌচাক। লোভ হলো মধু পানের। এক রাতে শিয়াল হানা দিল মৌচাকে। ভেবেছিল, মৌমাছিরা হয়তো ঘুমিয়ে আছে। পরে তো হুলের জ্বালায় অস্থির। কবিতাটি স্কুলপাঠ্য ছিল এককালে। অনেকেরই শৈশবস্মৃতি জড়িয়ে আছে পঙ্কিগুলো সঙ্গে।

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!


ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক কিংবা দুপুর-রাতের খাবারে ডিমের একটা মেন্যু ঘুরেফিরে আসবেই যেন। আর ব্যাচেলরদের জীবনে সহজে রান্নার সহজ মেন্যু হিসেবে ডিম তো প্রায় ‘জাতীয় খাদ্য’ই বটে!

দিনে একবার হলেও আঙুর খান



আঙুর অতিপরিচিত একটি সুস্বাদু ফল। এ ফলের নানা খাদ্য ও ভেষজ গুণ আছে। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ পদার্থ ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদ্রোগের মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। আঙুরের বীজ ও খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা বার্ধক্য রোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই দিনে একবার হলেও আঙুর খাওয়া উচিত। এটি হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিগুলোকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। আঙুরের সেলুলাস ও চিনি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক।

কষ্টের নাম মুখের ঘা



মুখের ভেতর বা জিভে ঘা সব সময় যে দাঁত ও মাড়ির কারণে হয় তা নয়, এটি হতে পারে দেহের অন্যান্য নানা সমস্যায়ও। ডায়াবেটিস, গর্ভাবস্থা, ছত্রাক সংক্রমণ থেকে শুরু করে ভিটামিনের অভাব বা মানসিক চাপও হতে পারে মুখে ঘায়ের গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

অদম্য মা, মেধাবী ছেলে



ছেলের জন্য মায়ের নির্ঘুম রাত কাটানোর খবর এটি নয়। ছেলের জন্য রাত জেগে অপেক্ষায় থাকা কোনো মায়ের গল্পও নয়। এই মা রাত জাগেন ছেলের পড়া তৈরি করে দিতে। তবে তা অন্য মায়েদের মতো নয়। তিনি প্রতি রাতে ক্লান্তিহীনভাবে সশব্দে ছেলের পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি বাক্য পড়ে যান। আর তা রেকর্ড হয় মুঠোফোনে। দৃষ্টিশক্তিহারা ছেলের পড়া রেকর্ড হয় মায়ের স্বরে-সুরে। মুঠোফোনের ওই রেকর্ড মন দিয়ে শোনেন ছেলে। এটাই তাঁর পড়ার একমাত্র উপায়। মা-ছেলের অনবদ্য এই প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হয়েছে। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পান আবদুল্লাহ আল শাইম। আর সাধারণ এক নারী চায়না খাতুন হয়ে ওঠেন অদম্য মা।