সম্মানিত দর্শক আপনাকে স্বাগতম। আমাকে Facebook Google+ এ পাবেন। কামরুলকক্স

বাচ্চা নিলে প্লট ফ্রি, মিলবে বোনাস!


ফিনল্যান্ডের ছোট ছোট শহরগুলোতে দিনে দিনে কমছে মানুষের সংখ্যাএকদিকে উন্নত জীবনযাপনের আশায় সবাই ছুটছে বড় শহরের দিকেঅন্যদিকে এখানে মৃত্যুহারের সঙ্গে সমানতালে এগুচ্ছে না জন্মহারতাই জনসংখ্যা বাড়াতে এসব শহরে নানা অভিনব পন্থা নেওয়া হচ্ছেকোন শহরে নতুন বাসিন্দাদের এক ইউরোর বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে বিরাট প্লটকোনো শহরে দম্পতিদের নতুন সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য দেয়া হচ্ছে বোনাসফিনল্যান্ডের জাতীয় বেতার স্টেশন এ খবর দিচ্ছে

সেলফি তুলতে ড্রোন


সেলফি তোলা যদি আপনার শখ হয়ে থাকে তবে শুধু ফ্রন্ট কিংবা ব্যাক ক্যামেরার উপর ভরসা করে আর থাকতে হবে নাএবার আপনার সেলফি তুলে দেবে আস্ত একটা ড্রোনসম্প্রতি আমেরিকার বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এমনই এক ড্রোন আবিষ্কার করেছে

হামলা রুখতে হেলমেট পরলেন বর


সমাজের উচ্চবর্গের মানুষ ঘোড়ায় চয়ে বিয়ে করতে পারবে আর নিম্নবর্গের মানুষ ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে পারবে না এটা মেনে নিতে পারেননি পুরলাল পোদ্দার (২৫)তারও ইচ্ছা উচ্চবর্গের মানুষের মতো সেও ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে যাবেসিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজটি করে দেখালেন পোদ্দারতবে এজন্য তাকে উচ্চবর্গের লোকজনের নিক্ষেপ করা ইট-পাথরের আঘাত সহ্য করতে হয়েছেযদি তিনি ইট-পাথর থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হেলমেট ব্যবহার করেন

রাজকন্যার জন্য ৩৫ লাখ টাকার ঝুমঝুমি


১৮ ক্যারেটের সাদা সোনায় তৈরি ঝুমঝুমির প্রতিটা খাঁজ থেকে নীলকান্ত মণি, রুবি আর হিরের দ্যুতি ঠিকরে বেরোচ্ছে৷ একটু মন দিয়ে দেখলে ইউরোপের পতাকার আদল ধরা পড়ে৷ মহার্ঘ্য এই ঝুমঝুমির মালকিনের বয়স মাত্র এক সপ্তাহ৷ ধারণা করেন তো কে হতে পারেঝুমঝুমির মালকিনের নাম শার্লট এলিজাবেথ ডায়ানা, রাজকীয় ভাষায় বলতে গেলে 'প্রিন্সেস শার্লট অফ কেমব্রিজ'৷ রাজকুমার উইলিয়াম ও ডাচেস অফ কেমব্রিজের কনিষ্ঠা সন্তানের জন্য রাজকীয় এই উপহার তৈরি করেছে 'ন্যাচারাল স্যাফায়ার কোম্পানি'

কুকুরের দুধ পান করে বেঁচে আছে শিশু সেলিম!


বাবা-মার আদরবঞ্চিত সেলিম (১০) নামে এক শিশু নিয়তির নির্মম পরিহাসের শিকার হয়ে কুকুরের দুধ পান করে বেঁচে আছেসেলিমের বয়স যখন মাত্র ছয় মাস তখন তার বাবা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের পঞ্চানন্দপুর গ্রামের লাল চাঁন তার [সেলিম] মাকে তালাক দেনসেই সময় সেলিমের মা ছেলেকে নিয়ে বজরাটেক সবজা স্কুল পাড়া গ্রামে বাবার বাড়ি চলে আসেনএর কিছুদিন পর সেলিমকে রেখে তার মা বিয়ে করে দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে চট্রগ্রাম চলে যানএরপর নানা অযত্ন আর অবহেলায় বেড়ে উঠা শুরু হয় সেলিমেরগরীব নানা ভ্যান চালিয়ে কোনো রকম অভাবী সংসার চালায়ফলে প্রয়োজনীয় খাবার টুকুও সেলিমের ভাগ্যে জুটে নাহাঁটি হাঁটি পা পা করে সেলিম যখন চলতে শুরু করে তখন থেকেই এ বাড়ি ও বাড়ি গিয়ে নিজের খাবারের চেষ্টা চালাতে থাকে সে নিজেইএকপর্যায়ে সে ক্ষুধা মিটাতে হাট বাজারে থাকা কুকুরের স্তনে মুখ দিয়ে দুধ খাওয়া শুরু করেআর কুকুরও তার অন্য সন্তানের মত করে দুধ খাওয়াতে থাকে সেলিমকেএটা দেখে কেউ খুব মজা পায়, কেউ বা অদ্ভূত তাকিয়ে রহস্য খুঁজেকিন্তু দুমুঠো খাবার দিতে কেউ এগিয়ে আসেনি