সম্মানিত দর্শক আপনাকে স্বাগতম। আমাকে Facebook Google+ এ পাবেন। কামরুলকক্স

৬৫০০ বছরের পুরোনো মানবদেহের কঙ্কাল পুনরুদ্ধার




ফিলাডেলফিয়ার ইউনির্ভাসিটি অব পেনসেলভেনিয়া পেন মিউজিয়ামে দেখা মিলবে সাড়ে ছয় হাজার বছরের পুরোনো কঙ্কালের। সম্প্রতি ওই জাদুঘরের স্টোররুম থেকে এই কঙ্কালটি পুনরুদ্ধার করা হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদরা ১৯৩০ সালে ইরাকের দক্ষিণাঞ্চল থেকে সর্বপ্রথম এই কঙ্কালটি উদ্ধার করে। কিন্তু কোনো ধরনের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ না করেই এটিকে জাদুঘরের বেসমেন্টে এতোদিন ফেলে রাখা হয়েছিলো।

৬ বছরের শিশুর বিস্ময়কর সার্ফিং


কোয়ান্সি সাইমন্ডস নামের ছয় বয়সী শিশুটি থাকে অস্ট্রেলিয়ায়। শরীরে জটিল এড্রিনাল সমস্যা নিয়েও দক্ষদের মতো সার্ফিং করতে পারে সে। দেড় বছর আগে থেকে এ খেলা শুরু করেছিলো কোয়ান্সি। কিন্তু ইতোমধ্যে সে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মতো সার্ফিং করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। জন্মের পর থেকেই কোয়ান্সি এড্রিনাল সমস্যায় ভুগছে। এড্রিনাল হলো মানবদেহের কিডনির উপরে অবস্থিত একটি গ্রন্থি যা থেকে কর্টিসল নামক হরমোন বের হয়। কর্টিসল হরমোনের অভাবে লো ব্লাড প্রেসার, কোমরের নিচের অংশে প্রচণ্ড ব্যাথা, জ্বর, খিঁচুনি হয়। এসব রোগীদের মানসিক প্রেসার থেকে সবসময় দূরে রাখতে হয়।

কন্যার ডাকে জীবিত হলেন মৃত বাবা!


কন্যার ডাকে বাবা জীবিত হলেন শুনেই মনে একটা খটকা লাগতে পারে। আসলে কি ঘটনাটি সত্য। হ্যাঁ এটা সত্য ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির ওহায়ো মেডিক্যাল সেন্টারে। সেখানে এক রোগীকে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করে দিয়েছে ৪৫ মিনিট আগেই। কিন্তু ৪৫ মিনিট পর কন্যার ডাকে সেই রোগী আবার জীবিত হয়েছে বলে জানায় এবিসি নিউজ।

গায়ের রং যখন বদলায়

মেলানিনই ঠিক করে কার গায়ের রং কেমন হবে। মেলানিনের মাত্রা নির্ভর করে জাতিসত্তা, বংশগতি, সূর্যালোকের উপস্থিতির ওপর। মেলানিন বেড়ে গেলে ত্বকের রং গাঢ় বা কালো হয়ে যায়, আবার মেলানিন অস্বাভাবিক কমে গেলে রং ফ্যাকাশে সাদা হয়ে যায়

এ মা, এত কালো হলে কী করে? এমন মন্তব্য অনেককেই শুনতে হয়। ছোটবেলার লাল টুকটুকে ফরসা গায়ের রং বড় হতে হতে কুচকুচে হয়ে যায়। হ্যাঁ, মানুষের গায়ের রং বদলায় বটে। আদতে চামড়ার নিচে সবার রক্ত লাল হলেও বংশগতি, জলবায়ুর প্রভাব, জাতিগত সত্তার কারণে আমাদের গায়ের রং আলাদা আলাদা। কিন্তু কখনো কখনো নানা রোগ-বালাই, বিশেষ করে হরমোনের প্রভাবে গায়ের রঙে পরিবর্তন হতে পারে। রং পাল্টাতে পারে নানা ওষুধপত্রের প্রভাবেও। আসুন জেনে নিই সে রকম কয়েকটি সমস্যার কথা।

Keep Volume Safe - ড্রাইভের গুরুত্বপূর্ণ ডাটা থাকুক নিরাপদে



Main Menu
Main Menu

আপনার কম্পিউটারে এক বা একাধিক Drive আছে যেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডাটা আছে। সব সময় ভয়ে থাকেন কেউ সেগুলো আপনার অজান্তে Delete মারবে বা মুছে ফেলবে। তাই আপনি চান এমনভাবে সেগুলোকে রাখতে যাতে কেউ মুছে ফেলতে না পারে অথবা সেই ড্রাইভে আপনার অজান্তে কোন কিছু Save করতে না পারে। বিশেষ করে অফিস আদালতেই এমন সমস্যা হয়ে থাকে যেখানে ডাটাগুলো সবার জন্য উম্মুক্ত রাখতে হবে, আবার দুঃচিন্তাও থাকে কখন নিজের অজান্তে সেগুলো এদিক ওদিক হয়ে যায়। এমন সমস্যায় যাঁরা আছেন তাঁদের জন্যই আমার ছোট্ট টুলটি। এ টুলটি দিয়ে আপনি আপনার Drive বা Volume টিকে Write Protected বা Read-only করতে পারবেন। এতে যে কেউ আপনার Drive বা Volume এর Data Read করতে পারবে কিন্তু Write (Save, Delete, Copy) বা Format করতে পারবে না। ভাইরাসও আক্রমণ করতে পারবে না ড্রাইভটাকে। ফলে আপনার সমস্ত Data থাকবে নিরাপদ। এটি Windows XP ছাড়া সব ভার্সনে কাজ করবে।